রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন এলাকায় সম্পন্ন হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা।
বুধবার দুপুর ৩.০৪মিনিটে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।
প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে এদিন সকাল থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়িয়ে মিরপুর রোড, ফার্মগেট এবং বিজয় সরণি পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে। ভিড় এতোটাই ছিল যে, জানাজার কাতার সোবহানবাগ ও ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এই জানাজায় শরিক হতে ঢাকায় আসেন।
জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এ ছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি এবং বিদেশি কূটনীতিকরা জানাজায় উপস্থিত হয়ে এই মহীয়সী নেত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
জানাজা শুরুর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার অনুরোধ জানান। জানাজা শেষে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানের দিকে যাত্রা করে। সেখানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাঁকে সমাহিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার দাফন উপলক্ষে পুরো সংসদ এলাকা ও জিয়া উদ্যানকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০ হাজারের বেশি সদস্য।
এ জাতীয় আরো খবর..